Mohammed A. Jabed

শুক্রবার, ১৭ জুন, ২০১১

একজন Madiba, একটা দেশ এবং মানবজাতি


আজকে একটা মুভি দেখলাম। বলতে পারেন অনেকদিন পর। অনেক মুভি দেখতাম, এখন আস্তে আস্তে নিজেকে ঘুম আর মুভি চাড়া অন্যকিছুতেও নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করছি।
গতকাল বাড়ি আসলাম। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা ট্রেনের জন্য অপেক্ষা এবং ১০ ঘন্টা দীর্ঘ ট্রেন ভ্রমন শেষে। দেরির কারণও আছে অবশ্য। ট্রেন দুর্ঘটনা, সাথে আমাদের সহযাত্রি মন্ত্রি সাহেবের আনুস্টানিকতা। অন্যসবকিছুর মত, সাধারন যাত্রির দু-ধ্বনি শোনে মন্ত্রি সাহেব যখন সম্ভি ফিরে পেল, তখন রাত তিনটা।
আজকে আমার বিষয় অবশ্য মুভি। আজকের মুভির নাম Invictus’ . আমার দেখা কত গুলা সেরা আর মনে দাগ কাটা মুভির মধ্যে একটা হয়ে গেল এই মুভি। মুভিটি তেমন কোন বিশেষ কিছুকে নিয়ে না। অনেক পরিচিত নেলসন ম্যান্ডেলাকে নিয়ে। সত্য ঘটনাকে ভিত্তি করে। মুভিটি দেখে আমার অনেক কিছু ধারণা পরিবর্তন হল।অনেক কিছুর জন্য হাহাকার অনুভূত হল, সাথে একজন নেলসন ম্যান্ডেলার অভাব অনুভুত করলাম নিজের দেশের জন্য।
মুভিটি দেখেছি, আর সত্যি কথা, পুরাটা সময় আমি কেদেছি, কেন জানি না। মুভিটি কোন দুঃখকে ভিত্তি করে নাহ, তারপর আমর অনেক কান্না পেয়েছে। এই কান্না হয়তবা অনেক দিনের , অনেকের নিরাশার কথা, আশা হত হাওয়ার কথা মনে পরেছে বলে। মুভিটি দেখেছি, র নিজেকে ভেবেছি একটা দেশের সাধারন নাগরিক হিসাবে, কিন্তু আমি যখন আমার কোন নেতা কল্পনা করতে পারিনি, তখন এ আমার খারাপ লেগেছে, তখন এ মনে পরে গেছে, আমর মত ১৫ কোটি হতভাগার কথা। তাই হয়ত কান্না পেয়েছে।
আমি জানি না, সবাই কি ভাবে, আমি মনে করতাম, ম্যান্ডেলা শুধুমাত্র শ্বেতাঙ্গদের বিরুদ্ধে লড়াইকরে আজকের দক্ষিন আফ্রিকা প্রতিস্টা করেছে। কিন্তু আজকে মনে হল, আমার জানার মধ্যে অনেক কমতি আছে। একটা ছেলে জম্ম দিলে হয় না, ছেলে বোঝা না হয়ে সম্পদ তখনই হয় যখন তাকে মানুষ করা যাই। একটা দেশ জম্ম দিলে হয় না, দেশটাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অনেক বড় অর্জন। অনেক দেশ জম্ম নিয়েছে, অনেক জাতির পিতা পৃথিবী দেখেছে, কিন্তু আজকে বুঝলাম, তাদের মাঝে মেন্ডেলা অথবা গান্ধী কেন সার্বজনীন।
আজকে আমার ইচ্ছে করেছে, অই মুভির পত্যেক তা dialog  যদি আমি ফেইসবুক এর স্ট্যাটাস দিতে পারতাম, আমার দেশের সন নেতাকে বসিয়ে যদি আমি এই মুভিটা দেখাতে পারতাম, আর যদি বলতে পারতাম, দেখ...... নেতা কাকে বলে, পল্টনে ভাষন দিলে নেতা হওয়া যাইনা, নেতা হতে হয় নাহ, জনগন এ নেতা বানিয়ে নে...
মেন্ডালা এমন এক সময় সে দেশের প্রেসিডেন্ট হল, যখন, তার চিন্তার সাথে কারও কোন কিছু মিলত না। দেশের এক বিরাট অংশ শেতাঙ্গ, যারা সদ্য ক্ষমতা হারানো কস্ট নিয়ে সুযোগের অপেক্ষায় পাল্টা আক্রমনের, আরেকটা অংশ কাল লোক। যারা অনেক বছর ধরে শোষন আর নিপিড়নের মাঝে অপেক্ষা করেছে, এমন এক সকালের যেন তাদের মুক্তি মিলে আর প্রতিশোধ নিতে পারে। একেক অঞ্চলের ভাষা ভিন্ন, একেক অঞ্চলের সাংকৃতির কোন মিল নেই। ম্যান্ডেলাকে কালোদের সাথে লডতে হয়েছে, তাদেরকে ক্ষমা, সহবস্তান আর সামনে তাকানোর জন্য। শ্বেতাঙ্গদের সাথে লড়তে হয়েছে, তাদের কাছে প্রমান করার জন্য যে তার লড়াই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নাহ। তার লড়াই তাদেরকে কাছে আনার, সমতা বিধানের জন্য।
আমার কান্না পেয়েছে, মুভিটির প্রত্যেকটা কথা কাজ মনের অজান্তেই আমার নিজের দেশের সাথে তুলানা করে ফেলেছি বলে। আফ্রিকা জম্ম নিয়েছে, কত গুলো ভিন্ন রঙের মানুষকে নিয়ে, হাজার ভাষা, হাজার ধরনের মানুষ, হাজার ধরনের সাংকৃতির মধ্যে। ম্যান্ডেলা একাই সবাইকে একি পতাকার নিছে এনেছে, সবাইকে ভাবতে শিখিয়েছে, আমরা আফ্রিকান। আমাদের ভাগ্যে কি হল? আমরা একি পতাকার জন্য যুদ্ধ করেছি, একই ভাষাই কথা বলার জন্য লড়াই করেছি, একই সাংকৃতি নিয়ে বেচে আছি আমরা। আর আমাদের নেতারা কি করতেছেন?? জম্মের শুরু থেকেই ওনারা আমদের বিভাজন করার কাজে ব্যাস্ত। আজকে পুরা দেশ বিভক্ত। এই বিভাজন অনেক ক্ষেত্রে কালো সাদাদের বিভাজনকে ও ছাড়িয়ে গেছে। মেন্ডালা নিজে নিজে একাই সবার সাথে যুদ্ধ করেছেন, আর আমাদের আজকের নেতারা কিছু সংখ্যক দুর্নীতি পরায়ন নেতা আমলার সাথে যুদ্ধ্য করতে পারে না, যদিও পুরা দেশের জনগন তাদের সাথে যুদ্ধ করবে, তাদেরকে সমর্থন দিবে।
আমি অনেক আশাবাদি মানুষ। আমি মনে করি, একদিন আমারাও পারব, কোন এক ম্যান্ডেলা হয়ত আমাদের দেশেও আসবে। আক্ষেপ শুধু, আমাদের অনেক দেরিতে হবে হয়তবা, যদিও আমাদেরকেই সবার আগে এগিয়ে যাওয়া দরকার ছিল।
“I am the master of my fate. I am the captain of my soul”

মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১১

Mirror of Life


Life is always mysterious. Many philosopher, many psychologist had tried to define what is life.  In many Bangla song, they compare the ‘life’ with the river.  I am agreed with that, but sometime I am not. You can define or can predict the way of river, temper of river… but in case of life? Never!! U can never get it accurately or exactly.  
Today I have seen my life from a different and new view. In life, nothing is absolute. U can’t make anything absolute, although you could try it hard and soul. Everyman, sometime have to face such situation that you are talking something what u don’t want to tell, you are doing something what you aren’t like to do. You always tell yourself ‘’please don’t say like that’’, ‘’please my finger, don’t write such text’’ but simultaneously you are typing such bad text, telling such bad things.
Some time we think, yup, this is for life time. If someone ask you, how could you know, that is for your lifetime?’ we always replay with absolute confident  ‘’ yup, I know’’. We always forget, this is life. Life change his direction always, might be by yourself, might be by others, might be by your ambience or some time by time. It’s too much rare who doesn’t change. Life always changing, factor is who influence you to be changed. Changed by yourself, most of the time it’s bad, some time man changed by time. Such changed adopt by others, because everything have changed with him/her by time. Sometime you have to change to his/her by that person although you always expect u wouldn’t change to him/her.
Today I feet so bad, because I didn’t want to change, but I have feel change today. I never wanted to say such thing, I never wanted to text you with such bad things, but I had to do today. I don’t blame you for anything, just one thing I have to say, I blame you only for u have changed me. 

শুক্রবার, ২৭ মে, ২০১১

Just want a touch

a lot of different feeling gathered on me. i have tried to write here. i couldn't. i couldn't write it here because i couldn't define it. But i know only, how much painful its to me. Feeling so much lonely, feeling so much pathetic.

http://www.mybanglamp3.com/index.php?action=song&array=yes&id=1532,

বুধবার, ২৫ মে, ২০১১

বৃস্টির মুখর একটা দিন


প্রতিদিন সন্ধ্যা হয়, আর এই ভেবে শুরু করি সন্ধ্যা, ''আজকে আর রাত জাগব না, অনেক তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়ব, দুইটার বেশি জাগব না। গতকাল সন্ধ্যা এইভাবেই শুরু হল। টিউশনি সেরে যখন হলে আসলাম, সন্ধ্যা গড়িয়ে তখন রাত দশটা। খাওয়া দাওয়া শেষে যখন রুমে আসলাম, বাহিরে তখন শুরু হয়েছে আরেক আয়জন, কাল বৈশাখীর। অন্যের ছেলেকে মানুষ করতে করতে ক্লান্ত শরীর নিয়ে গা এলিয়ে দিলাম বিছানায়। বাহিরে অঝর ধারায় বৃস্টি, সবাই যখন জানালায় বসে বৃস্টি দেখতেছে, আমি তখন হাত পা এলিয়ে দিয়ে ঘুম। রাত ১২টা। সবার দিন যখন শেষ, আমি তখন ঘুম থেকে উঠে শুরু করলাম, আমার রাত্রি নামের দিন। কিছুক্ষন পরার ভান করলাম, নিজেকে সান্তনা দেওয়ার জন্য, হ্যা আজকে আমি পড়তে বসেছি। যদিও আমিতো নিজেই জানি, আমি কেন পড়তে বসলাম, আমি কি পড়লাম। তারাহুরা করে পড়া শেষ করে, নিয়ে বসলাম, আমার সবছেয়ে কাছের বস্তুটা নিয়ে। আমার ল্যাপটপ। মাঝে মাঝে আমি নিজেই ভাবি, এই পৃথিবীতে কি এমন আর কোন বস্তু আছে, যেটার সাথে মানুষ সানন্দে এতটা সময় কাটিয়ে দিতে পারে। ধন্যবাদ বিজ্ঞানকে। সারারাত সবার সাথে আড়ড়া দিয়ে ইংলিশ সিনেমা নিয়ে বসলাম এমন এক সময় যখন রাত জাগা সিনেমা পাগল মানুষ গুলো পর্যন্ত ঘুমিয়ে পড়ে। আকাশ ততক্ষনে শান্ত। সিনেমা শেষ হতে হতে শুরু হয়ে গেল পেঠে ছু ছু... তৈরী হয়ে বের হলাম, আকাশে সুর্য উকি দিচ্ছে। অনেকে দেখলাম ঘুম সেরে কাজে যোগ দিচ্ছে। আজকে প্রাতরাশ ঠিক সময়ে করলাম।
ঘুমালাম, অনেক সময়। সকালে ঘুম ভাঙল বৃস্টির শব্দে, বেলা তখন ১২টা বেজে ৩০মিনিট। বারান্দায় গিয়ে দেখি সবাই মহা আনন্দে বৃস্টি দেখতেছে। পুকুর ঘাটে যুগলরা পানিতে পা নামিয়ে বৃস্টিতে ভিজতেছে, অনেকে দল বেধে নেমে পড়েছে ফুটবল নিয়ে, তবে মাঠে নাহ, পুকুরে, অনেকে মনের আনন্দে হাটাহাটি করতেছে এদিক সেদিক। মনে হল, বৃস্টিটা সর্গীয় কিছু একটা। আর তখনি বৃস্টিটাকে আমার কাছে মনে হল, এক বড় উপদ্রব বলে। আমার যে ক্ষিদে লেগে গেল, বৃস্টির জন্য যেতে পারতেছিনা।
আবার বসলাম কম্পিউটার নিয়ে। বৃস্টি থামল, খুশিমনে খেতে গেলাম। এইভাবেই পার হয়ে গেল একটা বৃস্টিমুখর সন্ধা,রাত,সকাল র দুপুর..................

সোমবার, ২৩ মে, ২০১১

Facebook

once upon a time, when we got new friend, at first we had been asked them to come at certain place for chatting, or filed to paly. those was the only way to build up a new friendship outside school or college. Time had changed. Mobile era has come. Mobile became a great helping thing to make friendship. Now? this is facebook era. when we introduce with some one new, at first asked them for mobile no as welll as facebook ID. its makes friendship much more easier. In everyday life, many facebook activity get include to our colloquial language. Facebook makes everything easier.







শনিবার, ২১ মে, ২০১১

অলস দিন

জীবনে অনেক তা পথ পাড়ি দিয়েছি, সিলভার জুবলি হয়ে গেল, এতদিনে আমার জীবনে অনেক কিছু এ পরির্বতন হয়েছে কিন্তু অলসতা আমি কাটাতে পারলাম নাহ। প্রতিদিন আমি নিজেকে বলি, আমি র এই রকম থাকব নাহ, আমি নিজেকে পরিবর্তন করব। কিন্তু যেই লাউ সেই কদু। প্রতিদিন রাত ৩বাজলে কেবল মনে হয়  ঘুমানো দরকার, সকালের নাস্তা সারতে সারতে দুপুর।  যদি ক্লাস থাকে, তাহলে গোসল নাহ করে কোন মতে ক্লাস এ হাজিরা দেওয়া, তারপর এসে আবার কম্পিউটার এ বসা, অথবা ঘুমিয়ে পড়া...... সারাদিন পার হয়ে গেল।